`রাজধানীতে কোনো অবৈধ বিলবোর্ড থাকবে না`

রাজধানীতে কোনো অবৈধ বিলবোর্ড থাকবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গোল চত্বরে পুলিশ বক্সের ওপর অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণের মধ্য দিয়ে এই

কার্যক্রম উদ্ধোধন শেষে তিনি একথা বলেন।মেয়র বলেন, নগরবাসীর কাছে একটা মেসেজ দিতে চাই কেউ অবৈধ বিলবোর্ডের ব্যবসা করতে পারবে না। এই শহর সবার, সবাইকে শহরের প্রতি ভালোবাসা দেখাতে হবে। এখানে কোনো অবৈধ বিলবোর্ড থাকতে পারবে না। যত ক্ষমতাধরই হোক না কেন আমি কাউকে ছাড় দেব না।অবৈধ দখলদারদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে মেয়র আতিক বলেন, আমাকে অনেকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে

দিয়েছেন বিলবোর্ড অপসারণ করতে পারব না। আমিও তাদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি, দেখি কে বাধা দেয়। আমি সব অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণ করব। কেউ শহরকে নোংরা করতে পারবে না। আমাদের এই অভিযান চলবে।

আরও পড়ুন=শৈশব থেকেই বার্সেলোনাতে খেলেছেন লিওনেল মেসি। পায়ের জাদুতে প্রতীক হয়ে উঠেছেন ক্লাবের, ‘মিস্টার বার্সেলোনা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজেকে। দীর্ঘ দুই যুগ পর সেই সম্পর্কের ইতি টানছেন এলএম টেন। অতি নাটকীয় কিছু না ঘটলে আগামী মৌসুমে নতুন কোনো ক্লাবের হয়ে খেলতে দেখা যাবে আর্জেন্টাইন সেনসেশনকে। আচমকা মেসির এমন সিদ্ধান্ত প্রায় সবাইকে বিস্মিত করেছে।

তবে লিওনেল মেসি প্রায়ই বলতেন, ফুটবল ক্যারিয়ারটা তিনি শেষ করবেন বার্সেলোনাতেই। সময়ের সঙ্গে পাল্টে গেছে মেসির সুর। শোনা যাচ্ছে, ম্যানচেস্টার সিটির প্রস্তাবে সম্মতি প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা।কিন্তু মেসি বার্সেলোনা ছেড়ে যাক, তা কখনোই চায় না ক্লাবটির ভক্ত-সমর্থকরা। আর স্প্যানিশ ক্রীড়া সাংবাদিক এদু আগিররে মনে করেন, মেসির বার্সেলোনা ছাড়াটা হবে ফুটবল ইতিহাসের বড় বিশ্বাসঘাতকতা।

বার্সেলোনার সঙ্গে নানান কারণে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাওয়ায় গত ২৫ আগস্ট বুরোফ্যাক্সের মাধ্যমে লিওনেল মেসি জানান, তিনি আর ন্যু ক্যাম্পে থাকছেন না। এরপরই মেসি ভক্তরা বিক্ষোভে নামরুবার্সা সভাপতি হোসেপ মারিয়া বার্তোমেউয়ের পদত্যাগের দাবি তুলে তারা। তাদের বিশ্বাস, বার্তোমেউকে সরিয়ে দিলেই বার্সেলোনায় থাকবেন মেসি। এরপর সংবাদমাধ্যমে খবর আসে, মেসি ন্যু ক্যাম্পে থাকতে রাজি হলে পদত্যাগ করবেন বার্তোমেউ।