ভিক্ষা করে জমানো টাকা মসজিদের উন্নয়নে দান করলেন তিনি

শা’রীরিক অ’সুস্থতায় ভালোভাবে হাঁটতে পারেন না। কখনো ভ্যানে বা ক্রাচে ভর করে ভিক্ষা করেন খালেক হাওলাদার (৫০)। খুলনার নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষাবৃত্তি করে চলে তার সংসার। ঘরবাড়ি নেই, রাতে থাকেন পলিথিন ঘেরা ভ্যানগাড়িতে। আজ শুক্রবার এই মানুষটি নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় ছানিয়াতুল জামে মসজিদের উন্নয়নে দান করলেন ভিক্ষা করে জমানো ২০ হাজার টাকা। তার বাড়ি নগরীর

গোয়ালখালি এলাকায়।জানা যায়, খালেক হাওলাদার একসময় ঢাকায় কাপড়ের ব্যবসা করতেন। কিন্তু স্ত্রীর মৃ’ত্যুর পর তিনি মা’নসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। এক পর্যায়ে শা’রীরিক অ’সুস্থ হয়ে পড়লে স্বাভাবিকভাবে হাঁটার শক্তি হা’রিয়ে ফে’লেন।

শুক্রবার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে এসে উন্নয়ন কাজ দেখে তিনি তার জমানো ২০ হাজার টাকা দান করেন। এদিকে, একজন ভিক্ষুক হয়ে মসজিদে এতো টাকা দান করায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন

আরও পড়ুন=দালালের খপ্পরে পড়ে ভারতে গিয়ে আটক ৩০ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে।

অভাবের কারণে দালালের খপ্পরে পড়ে ২-৮ বছর আগে অবৈধ পথে ভারতে যান তারা। ভারতের মুম্বাই ও কলকাতাসহ বিভিন্ন শহরে বাসা বাড়িতে কাজ করার সময় সে দেশের পুলিশের হাতে আটক হন। পরে সেখান থেকে সংলাপ, লিলয়া, সুশীলনসহ ১১টি এনজিও সংস্থা তাদের ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আইনে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।

ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশনার বি.এম জামাল হোসেন বলেন, ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে যারা এসেছেন তাদেরকে বাংলাদেশের মানবাধিকার সংস্থা, মহিলা আইনজীবী সমিতি ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামে তিন এনজিওর মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *