নাজমার সমর্থনে ধানমন্ডিতে স্লোগান, ‘টাকা খাওয়া দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’

ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুব মহিলা লীগের নেতা-কর্মীরা। এসময় তারা যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তারের পক্ষে স্লোগান দেন, ‌‘টাকা খাওয়া দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘হাবিব হাসানের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘নাজমা আপার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ধানমন্ডিতে দলটির সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে তারা এমন স্লোগান

দেন।ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচন ৯০ দিন পিছিয়ে দিলেও খবর বেরিয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিব হাসানের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এতেই ক্ষুব্ধ হন এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার

ও তার অনুসারীরা।নাজমা আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করে মনোনয়ন বিষয়ে নিশ্চিত হতে এসেছেন। খবর পেয়ে নেতা-কর্মীরা এসে স্লোগান দেন, মিছিল করেন। দুপুর ১২টা থেকে তিনি দলীয় সভাপতির কার্যালয়ে আছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রীয় নেতা তার সঙ্গে দেখা করেননি, কথাও বলেননি। নেতাদের সঙ্গে কথা বলে সন্ধ্যায় তার অবস্থান জানাবেন বলে

জানান তিনি।উল্লেখ্য, ৫টি আসনের উপনির্বাচনের নৌকার টিকিট পেতে ১৪১ জন দলীয় মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৫৬ জন নিয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনে।

আরও পড়ুন=মডেলিং থেকে যাত্রা শুরু করেন সারিকা। এরপরে অভিনয়ে নিজের নাম লেখান তিনি। কিন্তু শুটিং সেটে দেরিতে যাওয়া, সিডিউল ফাঁসানো এসব কারণে সমালোচিত হন অভিনেত্রী। এমন অবস্থাতেই সংসার জীবনও শুরু করেন। একটা সময় নিজেকে এতই অবরুদ্ধ করে ফেলেন যে, কেউই আর তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনরুতবে গত বছর থেকে আবারো মিডিয়ায় নিয়মিত হওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।

প্রতি মাসেই অল্প কয়েকটি নাটকে কাজ করে যাচ্ছিলেন। তবে করোনাভাইরাসের কারণে সেই কাজের গতিও যেন মন্থর হয়ে যায়। তবে বিরতি কাটিয়ে ঈদে অনেক নাটকে আবারো অভিনয় করেছিলেন। ঈদের পর ৯ আগস্ট ‘হৃদয়ের কোলাহল’ নামের একটি নাটকে অভিনয় করার পর গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আরো তিনটি নাটকে আগস্ট মাসেই অভিনয় করবেন; কিন্তু সেই কথা রাখেননি তিনি। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে নতুন কাজের বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন সারিকা। তিনি বলেন, ঈদের আগে যে কাজগুলো করতে পারিনি, সেগুলোর শুটিং করার কথা ছিল আমার।