জিতলো ফ্রান্স, দুই লাল কার্ডে হারলো ইংল্যান্ড

উয়েফা নেশন্স লিগে জয়রথ ধরে রেখেছে ফ্রান্স। বুধবার রাতে ফরাসিরা হারিয়েছে গত বিশ্বকাপে ফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়াকে, ২-১। তবে এই রাতে ধরা খেয়েছে টুর্নামেন্টে দারুণ খেলতে থাকা ইংল্যান্ড। ডেনমার্কের কাছে ১০ জনের দল পরিণত হওয়া ইংলিশ শিবির হেরেছে ১-০ গোলে।

‘এ’ লিগের ৩ নম্বর গ্রুপের ম্যাচে ৮ মিনিটে অঁতোয়ান গ্রিজমানের গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে ক্রোয়েশিয়াকে সমতা ফেরান নিকোলা ভ্লাসিচ। ৭৯ মিনিটে ফ্রান্সকে আনন্দে ভাসান কিলিয়ান এমবাপে। পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। এ লিগ গ্রুপ তিন নম্বরে শীর্ষে উঠে এসেছে পর্তুগাল। চার ম্যাচে তিন জয় ও এক ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট দলটির। ফ্রান্সের পয়েন্টও ১০। অবস্থান দ্বিতীয়, গোল পার্থক্যে পিছিয়ে থাকায়।

অন্যদিকে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছে ডেনমার্ক। যদিও প্রথমার্ধেই ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইংল্যান্ড। এই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি লায়ন্স শিবির। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ডেনিশদের ১-০ গোলের দারুণ জয়। গত মাসে প্রথম পর্বে এই ইংল্যান্ডের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল ডেনমার্ক। লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে শুরুর দিকে বল দখল ও আক্রমণে দুই পক্ষ ছিল সমানে-সমান।

৩১ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডিফেন্ডার হ্যারি ম্যাগুইয়ার। এর তিন মিনিট পরই গোল হজম করে তারা। পেনাল্টি থেকে নিজের শততম ম্যাচ রাঙান ডেনমার্কের এরিকসেন। ইংলিশ ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার ডি-বক্সে টমাস ডেলানিকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।

৬৬ মিনিটে সমতায় ফিরতে পারত ইংল্যান্ড। কিন্তু খুব কাছ থেকে ম্যাসন মাউন্টের হেড এক হাতে ফেরান গোলরক্ষক কাসপের স্মাইকেল। গোলের জন্য মরিয়া ইংল্যান্ড বাকি সময়ে আরও কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। বরং শেষ বাঁশি বাজার পর লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার রিস জেমস।

লিগ এ গ্রুপ টুয়ে চার ম্যাচে সাত পয়েন্ট (দুই জয়, এক ড্র, এক হার) তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে ইংল্যান্ড। সমান সাত পয়েন্ট নিয়েও গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকা দ্বিতীয় স্থানে ডেনমার্ক। চার ম্যাচে তিন জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বেলজিয়াম। দলটি বুধবার রাতে লুকাকুর জোড়া গোলে হারায় আইসল্যান্ডকে। গত বিশ্বকাপ খেলা আইসল্যান্ড এখনও পয়েন্টশূন্য।

About News24

Check Also

সাদা পোশাকে বাংলাদেশের ২০ বছর

১০ নভেম্বর ২০০০ সাল। শীতের আভা তখন স্পষ্ট। কুয়াশাচ্ছন্ন এক সকাল। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এতো …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *