কারাগারে যেমন আছেন তারা?

কেমন আছেন ক্যাসিনোর সম্রাট শামীম, ও`য়েস্টিনের পা`পিয়া এবং সর্বশেষ করোনা ভুয়া টেস্ট কে`লেঙ্কারির শা`হেদ বা সা`বরিনারা? কেমনই বা কাটছে কারাগারে তাদের দিনকাল?মাঝে ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির জিকে শামীম পরপর দুইটি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। পরে তার সে জামিন বাতিল করা হয়। জিকে শামীমের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় গত জানুয়ারি মাসে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। কিন্তু করোনার কারণে শুরু হওয়া বিচার কাজ এখন বন্ধ রয়েছে।জিকে শামিমের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা চলমান রয়েছে। এরমধ্যে ‘তথ্য গোপন করে’ উচ্চ আদালত থেকে দুইটি মামলায় তিনি জামিন নিয়েছিল গত ফেব্রুয়ারি মাসে। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে সেই জামিন পরে বাতিল করা হয়।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে নিজ কার্যালয় থেকে বিদেশি মদ, অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাসহ র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন জিকে শামীম।ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির আরেক আলোচিত নাম ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। তার বিরুদ্ধে দুইটি মা`মলায় চা`র্জশিট দেয়া হয়েছে। তবে মা`মলাগুলোর বিচার কাজ এখনে শুরু হয়নি।এদিকে ক্যাসিনো কাণ্ডে আলোচিত ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের ব`হিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মা`নিল্ডারিং মা`মলায় চার্জশিট দিয়েছে সিআইডি।

তিনি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি মামলা চলমান আছে।চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি বিমানবন্দর এলাকা থেকে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন বহিষ্কৃত যুব মহিলা লীগ নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়া। তিনি ও তার স্বামী মফিজুর রহমানের বি`রুদ্ধে ২৯ জুন অস্ত্র আইনে মা`মলায় চার্জশিট দেয়া হয়েছে। দুদকের মামলার চার্জশিট দেয়ার কথা আছে ২৬ আগস্ট।চলমান মহামারি করোনা ভাইরাসের ভুয়া প্রতিবেদন এবং অবৈধভাবে অর্থ আয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় জেকেজি হেলথ কেয়ারে চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ আট জনকে।

এরপর তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার চার্জশিট দেয়া হয়েছে গত ৮ আগস্ট। মামলাটি তদন্ত করেছে ডিবি। আর রিজেন্ট হাসপাতালের মো. শাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলার চার্জশিট দেয়া হয় গত ৩০ জুলাই। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ভুয়া করোনা টেস্ট রিপোর্টের তদন্ত চলছে। জানা গেছে, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানে ঢাকাসহ সারাদেশে ৩০টির বেশি মামলা হয়। ওই মামলাসহ পরের আলোচিত ঘটনা ও মামলাগুলো ব়্যাব, সিআইডি, ডিবি, থানা পুলিশ ও দুদক তদন্ত করছে।গত কয়েক বছরের আলোচিত ঘটনা ও মামলায় বেশ কয়েকজন কারাবন্দি এখন কারাগারের বাইরের হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অভিযোগ আছে তারা আসলে ‘ভালো থাকার’ জন্যই নানা কৌশলে হাসপাতালে অবস্থান করছেন।

তাদের মধ্যে জি কে শামীম, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও ডেসটিনির রফিকুল আমীন অন্যতম। জি কে শামীম, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট এবং ডেসটিনির চেয়ারম্যান রফিকুল আমিন আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে। সম্রাটকে রাখা হয়েছে কেবিনে। বাকি দুইজন আছেন প্রিজন সেলে।অভিযোগ উঠেছে রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বালিশ কাণ্ডে গ্রেপ্তার সাজিন এন্টারপ্রাইজের মালিক শাহাদত হোসেনসহ তার সহযোগীরা কারাগারে বসেই বাইরে তাদের টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন।সূত্র: ডয়েচে ভেলে

About News24

Check Also

ক্যাসিনো সম্রাট মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার

ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ওরফে ক্যাসিনো সম্রাট এবং তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *