এই মাত্র পাওয়া, কাঁচামরিচের কেজি ৩০০ টাকা!

বন্যার প্রভাব পড়েছে সবজির বাজারে। এক মাস ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। এই পুরো সময়ে সর্বোচ্চ দাম কাঁচামরিচের। ভালোমানের এক কেজি কাঁচামরিচ কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে ৩০০ টাকা! তবে বিক্রেতারা বলছেন, বন্যায় দেশের অনেক এলাকার ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। যেসব এলাকার পানি নেমেছে। সেখানেও অতিবৃষ্টির কারণে আবাদ শুরু হয়নি। সব কিছু মিলিয়ে সবজির বাজার বেসামাল হয়ে পড়েছে।

রাজধানীর উত্তর পীরেরবাগ কাঁচাবাজার ও মিরপুর-১ নম্বর কাঁচাবাজার ঘুরে চড়া দামে সবজি বিক্রি হতে দেখা গেছে। বাজারে আড়াইশ’ গ্রাম কাঁচামরিচ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। এ হিসাবে কেজি ২৪০ থেকে ৩২০ টাকা পড়ছে। কাঁচামরিচের কেজি ছিল জুন মাসে ৬০, জুলাই মাসের শুরুতে ১০০ এবং শেষে ১৬০ টাকা। চলতি মাসের শুরুতে ২০০ টাকার মধ্যে থাকলেও এখন তা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে

গেছে। অন্য সবজির মধ্যে ঝিঙে, কাঁকরোল, বেগুন ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। প্রতি কেজি করলা ও ঢ্যাঁড়শের দাম চাওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা। তবে ৯০ টাকা কেজিতেও বিক্রি করতে দেখা গেছে। চিচিঙ্গা, ধুন্দুল ও শসার কেজি ৬০ টাকা। প্রতিটি লাউ ও জালি ৫০ থেকে ৭০ টাকা। গত মাসের শুরুতে এসব সবজি অর্ধেক দামে বিক্রি হয়েছে।

গত ৩০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন কাঁচাবাজারে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ মানভেদে বিক্রি হয় ৬০-৭০ টাকায়। এ হিসাবে কেজিতে ২৮০ টাকায় বিক্রি হয়। কাঁচামরিচের কেজি ছিল জুন মাসে ৬০, জুলাই মাসের শুরতে ১০০ এবং শেষে ১৬০ টাকা। চলতি মাসের শুরুতে ২০০ টাকার মধ্যে থাকলেও এখন তা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। ক্রেতার আতিকুল ইসলাম জানান, এক কেজি দাম ৩০০ টাকা

হলেও এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) ৮০ টাকা দাম গুনতে হচ্ছে। এ ছাড়া সবজির বাজারেও আগুন লেগেছে বলে জানান তিনি। গত মাসের শুরুতে এসব সবজি অর্ধেক দামে বিক্রি হয়েছে। পাইকারি আড়তে এখন মুহূর্তে সবজির দাম ওঠানামা করছে। এতে বাজারে কোন সবজির কত দাম, তা সঠিকভাবে বলা কঠিন। আগে পাইকারিতে ১০ টাকা কেজি পেঁপে কিনে ১২ টাকায় বিক্রি করেছেন। এখন পেঁপের কেজি কখনও ৩০ টাকা আবার কখনও ৩৫ টাকায় উঠে যাচ্ছে। আবার ২৫ টাকায় বিক্রি হয়। অন্য সবজির বেচাকেনায় দাম এভাবে ওঠানামা করছে।

About News24

Check Also

যে কারণে তিন মাস রাত জেগে কবর পাহারা দেবে পরিবার!

ঝড় ও বৃ-ষ্টির সময় বিভিন্ন এলাকায় ব-জ্রপাতে মৃ-ত্যুর ঘ-টনায় যেমন আত-ঙ্ক বাড়ছে, সেই সঙ্গে বাড়ছে …